সংখ্যা পদ্ধতির জন্মের পূর্বকথাঃ 

মানুষের সংখ্যা গননার জন্যই জন্ম হয়েছে সংখ্যা পদ্ধতির। পূর্বে সংখ্যা পদ্ধতি এতো উন্নত ছিলো না।কেননী সভ্যতার শুরুটা ছিলো আদিম। আসলে পূর্বে মানুষ রশিতে গিরা দিয়ে, মাটিতে বা দেওয়ালে দাগ কেটে নুড়ি পাথর, কাঠি, ও আঙ্গুল দিয়ে গননা করা করত। আর ব্যবহার করা হতো বিভিন্ন  সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা ইত্যাদি। এ যুগেও ব্রাজিলের কিছু আদি বাসি  আছে যারা 1 ও 2 এর বেশি  গুনতে পারে  না। পর্যায় ক্রমে পশু পালন ও কৃষি কাজের সম্প্রসারন এর ফলে গননা কাজের উন্নতি প্রয়োজন হয়ে পড়ে।






সংখ্যা পদ্ধতি কি ?

কোন সংখ্যা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।


সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদঃ সংখ্যা পদ্ধতি প্রধানত ২ প্রকার। যথাঃ ১। পজিশনাল ও ২। নন-পজিশনাল।

উদাহরন:

2×82- স্থানীয় মান


নিজেস্ব মান উপরের সংখ্যাটি হলো পজিশনাল।


পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যার নিজেস্ব মান, ভিত্তি ও স্থানীয় মান আছে তাকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির ব্যাক্ষা:


পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি আবার ৪ প্রকার। যথাঃ ১। ডেসিমেল ২। বাইনারী ৩। অক্টাল  ও  ৪। হেক্সাডেসিমেল।


১। ডেসিমাল: ডেসিমাল  ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিকে ডেসিমেল বলে। এর সংখ্যা ১০  টি  সংখ্যা । সংখ্যা গুলো হলোঃ ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯। এর ভিডি হলোঃ ১০


২। বাইনারী: দুই ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিকে বাইনারী বলে। বাইনারীর সংখ্যা হলো: ০,১ । এর  ভিত্তি হলো 2


৩। অক্টাল : ৮ ভিত্তিক  সংখ্যা পদ্ধতিকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। অক্টালের সংখ্যা গুলো হলো ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭। এর ভিত্তি হলো-৮।


৪। হেক্সাডেসিমেল: ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিকে Hexadecimal বলে। হেক্সাডেসিমেল এর সংখ্যা গুলো হলো- ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯, ১০ (A)১১ (B) ১৩(C) ১৩(D) ১৪(E) ১৫(F) । এর ভিত্তি হলো-১৬ ।


নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিঃ যে সকল সংখ্যার নিজেস্ব খান ও ভিত্তি আছে কিন্তু স্থানীয় মান নেই তাকে নন- পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।

যেমন: হায়ারা গ্লোরোফিক্স, রোমান, ট্যালি, ব্য ক্যালি ও গ্রাফি। 


হায়ারা গ্লোরোফিক্স = = 10 ,রোমান -(ⅰ) (ii) (iii) (iv)


ট্যালি → ।,।।, III, IIII